নোয়াখালী ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালী-৫

চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণায় ভোটাররা আমার পক্ষ নিয়েছে: ফখরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১২৫৩ বার পড়া হয়েছে

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঘটির কাঁটায় ঠিক সকল ১০টা। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারীহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায় সহস্ত্রাধীক নারীদের উঠান বৈঠক। কিছুক্ষণ পর সেখানে আসেন নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ ও সদরে আংশিক) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আসতেই নারীদের উচ্ছ্বাস দেখে তিনি অভিভূত।

অনুষ্ঠানের জটলার মধ্যে নুরজাহান বেগম (৫৫) বলেন, এলাকায় সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম আমরা এ জন্য তাকে ভোট দিব। তাকে এক নজর দেখার জন্য আজ এ উঠান বৈঠকে হাজির হয়েছি।

নোয়াখালী-৫ আসনটি একসময় ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে যিনি এমপি হতেন ওই দল সরকার গঠন করতো এবং তিনি ওই দলের মন্ত্রী হতেন। এরআগে বিএনপির প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এখানে দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য হয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে পৌঁছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচিত হয়ে বিগত সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ছিলেন।

এবার এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি বিএনপি নেতা মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি দুঃসময়ে এখানে বিএনপির হাল ধরে নেতাকর্মীদের দেখভাল করে দলের কাছে আলোচিত হন। গত ৩ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পর কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একযোগে তার পক্ষে ধানের শীষ নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষে ভোট করতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা স্বপরিবারে আক্রমণের শিকার হন মো. ফখরুল ইসলাম। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের জন্য জোরালো কাজ করেন এবং ওই নির্বাচনের পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বিএনপি জোটের মনোনয়নে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়ে ভোট করেন। ওই ভোটে আওয়ামী লীগ ব্যাপক কারচুপি ও কেন্দ্র দখল করলেও ফখরুল ইসলাম অর্ধলাখের কাছাকাছি ভোট পান।

মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি বিএনপির চেয়ারম্যার তারেক রহমানের নির্দেশে ২০১৫ সাল থেকে দলের জন্য কাজ করে আসছি। ওবায়দুল কাদেরের এলাকা হওয়ায় এখানে স্বাভাবিক কাজ করা ছিল অনেক কষ্টের। তার পরও দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের পাশে ছিলাম। দল আমাকে সেই প্রতিদান স্বরূপ এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েছে। এখন আমি ভোটারদের মন জয় করে ২৫ বছর পর আসনটি আবারো আমার নেতা তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই।

তিনি বলেন, আমি ব্যবসা করে নিজের টাকায় রাজনীতি করি। এখানে কেউ বলতে পারবে না কোথাও এক টাকা চাঁদাবাজি করেছি। আমি যেহেতু চাঁদার টাকায় চলি না। সেহেতু নির্বাচিত হলে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দিব না। বেকারদের কর্মসংস্থান, নারীদের শিক্ষা-নিরাপত্তা, সমাজে বৈষম্য দুর করে উন্নয়নে সমতা আনাই হবে আমার কাজ। জনগনের সেবা তাদের দুয়ারে পৌঁছে দিয়ে আমি আমি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। আমি এলাকাবাসীর মুখে যেভাবে হাসি ফোটাতে পারি সেই চেষ্টা করবো- ইনশাআল্লাহ।

ভোটের মাঠে কোম্পানীগঞ্জ কবিরহাট এলাকার প্রধান সমস্য নদীভাঙন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোরগ্যাং, ইভটিজিং, চুরি, ডাকাতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এলাকার মানুষের কাছে প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছেন মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি মেট্রো হোমসের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে এলাকার গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহার্য্য সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। শীতের সময় আসলেই শীতবস্ত্র নিয়ে চরাঞ্চলের নদীভাঙা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

ভুইয়ার হাটের আবুল কালাম নামে স্থানীয় এক চা দোকানদার বলেন, এ এলাকার মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত। তারা বিএনপির ধানের শীষ মার্কাকে ভালোবাসে। তার উপর প্রায়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ভোট ব্যাংক ও ধানের শীষের জনপ্রিয় প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামের দীর্ঘদিনের দান-অনুদান ভোটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখানে ধানের শীষকে ঠেকানোর মতো কোনো প্রার্থী নাই।

নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদিন রুটিন করে কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা এবং সদরের দুই ইউনিয়নে দিনরাত গণসংযো করে আসছেন ফখরুল ইসলাম। তার সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ ‍উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল হাই সেলিম, বসুরহাট পৌরভার সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন, সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, সাবেক সদস্য সচিব কামাল হোসেন সৌরভ, কবিরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেন খোকনসহ দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন।

এ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মো. ফখরুল ইসলাম ছাড়াও আরও ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর মো. বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের আবু নাছের (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খাজা তানভীর আহমেদ (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের তৌহিদুল ইসলাম (আপেল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মুনতাহার বেগম (কাঁচি), রিপাবলিকান পার্টির আনিছূল হক (হাতি), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সামছুদ্দোহা (চেয়ার), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী (তারা), জনতার দলের শওকত হোসেন (কলম), স্বতন্ত্র ওমর আলী রাজ (মোটর সাইকেল) ও মো. ইউনুছ (ফুটবল)।

১৭ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে নোয়াখালী-৫ আসন গঠিত। এরমধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা এবং কবিরহাট উপজেলায় ৭ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা। এ ছাড়া সদরের অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়নও এ আসনের অন্তর্ভুক্ত। এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ তিন হাজার ৮৫১ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৩৬ জন ও মহিলা দুই লাখ ৪২ হাজার ২১৫ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৫টি। মোট ভোট কক্ষ ৯৮৫টি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালী-৫

চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণায় ভোটাররা আমার পক্ষ নিয়েছে: ফখরুল ইসলাম

আপডেট সময় ১১:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঘটির কাঁটায় ঠিক সকল ১০টা। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারীহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায় সহস্ত্রাধীক নারীদের উঠান বৈঠক। কিছুক্ষণ পর সেখানে আসেন নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ ও সদরে আংশিক) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আসতেই নারীদের উচ্ছ্বাস দেখে তিনি অভিভূত।

অনুষ্ঠানের জটলার মধ্যে নুরজাহান বেগম (৫৫) বলেন, এলাকায় সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম আমরা এ জন্য তাকে ভোট দিব। তাকে এক নজর দেখার জন্য আজ এ উঠান বৈঠকে হাজির হয়েছি।

নোয়াখালী-৫ আসনটি একসময় ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে যিনি এমপি হতেন ওই দল সরকার গঠন করতো এবং তিনি ওই দলের মন্ত্রী হতেন। এরআগে বিএনপির প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এখানে দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য হয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে পৌঁছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচিত হয়ে বিগত সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ছিলেন।

এবার এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি বিএনপি নেতা মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি দুঃসময়ে এখানে বিএনপির হাল ধরে নেতাকর্মীদের দেখভাল করে দলের কাছে আলোচিত হন। গত ৩ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পর কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একযোগে তার পক্ষে ধানের শীষ নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষে ভোট করতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা স্বপরিবারে আক্রমণের শিকার হন মো. ফখরুল ইসলাম। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের জন্য জোরালো কাজ করেন এবং ওই নির্বাচনের পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বিএনপি জোটের মনোনয়নে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়ে ভোট করেন। ওই ভোটে আওয়ামী লীগ ব্যাপক কারচুপি ও কেন্দ্র দখল করলেও ফখরুল ইসলাম অর্ধলাখের কাছাকাছি ভোট পান।

মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি বিএনপির চেয়ারম্যার তারেক রহমানের নির্দেশে ২০১৫ সাল থেকে দলের জন্য কাজ করে আসছি। ওবায়দুল কাদেরের এলাকা হওয়ায় এখানে স্বাভাবিক কাজ করা ছিল অনেক কষ্টের। তার পরও দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের পাশে ছিলাম। দল আমাকে সেই প্রতিদান স্বরূপ এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েছে। এখন আমি ভোটারদের মন জয় করে ২৫ বছর পর আসনটি আবারো আমার নেতা তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই।

তিনি বলেন, আমি ব্যবসা করে নিজের টাকায় রাজনীতি করি। এখানে কেউ বলতে পারবে না কোথাও এক টাকা চাঁদাবাজি করেছি। আমি যেহেতু চাঁদার টাকায় চলি না। সেহেতু নির্বাচিত হলে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দিব না। বেকারদের কর্মসংস্থান, নারীদের শিক্ষা-নিরাপত্তা, সমাজে বৈষম্য দুর করে উন্নয়নে সমতা আনাই হবে আমার কাজ। জনগনের সেবা তাদের দুয়ারে পৌঁছে দিয়ে আমি আমি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। আমি এলাকাবাসীর মুখে যেভাবে হাসি ফোটাতে পারি সেই চেষ্টা করবো- ইনশাআল্লাহ।

ভোটের মাঠে কোম্পানীগঞ্জ কবিরহাট এলাকার প্রধান সমস্য নদীভাঙন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোরগ্যাং, ইভটিজিং, চুরি, ডাকাতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এলাকার মানুষের কাছে প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছেন মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি মেট্রো হোমসের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে এলাকার গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহার্য্য সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। শীতের সময় আসলেই শীতবস্ত্র নিয়ে চরাঞ্চলের নদীভাঙা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

ভুইয়ার হাটের আবুল কালাম নামে স্থানীয় এক চা দোকানদার বলেন, এ এলাকার মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত। তারা বিএনপির ধানের শীষ মার্কাকে ভালোবাসে। তার উপর প্রায়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ভোট ব্যাংক ও ধানের শীষের জনপ্রিয় প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামের দীর্ঘদিনের দান-অনুদান ভোটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখানে ধানের শীষকে ঠেকানোর মতো কোনো প্রার্থী নাই।

নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদিন রুটিন করে কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা এবং সদরের দুই ইউনিয়নে দিনরাত গণসংযো করে আসছেন ফখরুল ইসলাম। তার সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ ‍উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল হাই সেলিম, বসুরহাট পৌরভার সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন, সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, সাবেক সদস্য সচিব কামাল হোসেন সৌরভ, কবিরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেন খোকনসহ দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন।

এ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মো. ফখরুল ইসলাম ছাড়াও আরও ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর মো. বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের আবু নাছের (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খাজা তানভীর আহমেদ (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের তৌহিদুল ইসলাম (আপেল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মুনতাহার বেগম (কাঁচি), রিপাবলিকান পার্টির আনিছূল হক (হাতি), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সামছুদ্দোহা (চেয়ার), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী (তারা), জনতার দলের শওকত হোসেন (কলম), স্বতন্ত্র ওমর আলী রাজ (মোটর সাইকেল) ও মো. ইউনুছ (ফুটবল)।

১৭ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে নোয়াখালী-৫ আসন গঠিত। এরমধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা এবং কবিরহাট উপজেলায় ৭ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা। এ ছাড়া সদরের অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়নও এ আসনের অন্তর্ভুক্ত। এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ তিন হাজার ৮৫১ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৩৬ জন ও মহিলা দুই লাখ ৪২ হাজার ২১৫ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৫টি। মোট ভোট কক্ষ ৯৮৫টি।